কাউখালীতে হাঁসের খামার দিয়ে প্রবাস ফেরত সরোয়ারের সফলতা

মে ৪, ২০১৭

আপনি দেখছেন: দেশের খবর >> উন্নয়ন, কৃষি, পিরোজপুর, স্থানীয় শীর্ষ >> কাউখালীতে হাঁসের খামার দিয়ে প্রবাস ফেরত সরোয়ারের সফলতা

রবিউল হাসান রবিন, কাউখালী (পিরোজপুর): পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিদেশ ফেরত সরোয়ার হোসেন হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এ সফলতা দেখে এখন এলাকার অনেকেই হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে হাঁটতে শুরু করেছেন।

বিদেশ ফেরত সরোয়ার হোসেন হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বিদেশ নয়, বাড়ি বসেই অর্থ আয় করা সম্ভব বলে তিনি বিশ্বাস করেন। হাঁসের খামার করে প্রবাসজীবনের ইতি টেনেছেন কাউখালীর  গোপালপুরের সরোয়ার হোসেন।

সাত বছর দুবাই কাটিয়ে এক বছর আগে দেশে ফিরেই তিনি শুরু করেন খামারে হাঁস পালন। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে আড়াই’শ ইতালিয়ান জাতের হাঁস। গোপালপুর গ্রামের অবসরপ্্রাপ্ত শিক্ষক সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুচ আলী মিয়ার ছেলে সরোয়ার হোসেন। ২০০৯ সালে দুবাই চলে যান তিনি। ২০১৬ সালে দেশে ফেরেন।


সরোয়ার হোসেন জানান, দুবাই থাকার সময় থেকেই মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটে হাঁস পালনের বিষয়ে জানতে পারেন। বাড়ি ফিরেই হাঁসের বাচ্চা পেতে খুলনায় গিয়ে বুকিং  দেন। তৈরি করেন হাঁস পালনের উপযোগী ঘর। ওই বছর মার্চ মাসে একদিন বয়সের ৩০০ বাচ্চা তোলেন খামারে। সাড়ে চার মাস খামারের ঘরেই হাঁস পালন করেন।

প্রথম দুই মাস বয়লার মুরগির তৈরি খাবার, দুই মাস লেয়ার মুরগির খাবার। এ ছাড়া কিছু দিন ধান বা গম খাওয়াতে হয়। এরপর ওই হাঁস জমিতে নিয়ে ছেড়ে দিলে এরাই ওদের আহার খুঁজে বের করে। এভাবে চলে আট মাস। প্রথমে হাঁসগুলোকে একটি জমির মধ্যে  ছেড়ে দেওয়া হয় খাওয়ানোর জন্য। এরপর আবার বাড়ি নিয়ে যেতে হয়। পরের দিন আর কাউকে সঙ্গে যেতে হয় না। সাড়ে চার মাস বয়স হলে ওই হাঁস ডিম দিতে শুরু করে। ৪-৫ মাস ডিম দেওয়ার পর পালক ঝরে।  সে সময় ১৫-২০ দিন ডিম  দেওয়া বন্ধ থাকে।

সরোয়ার জানান, হাঁস পালনের বড় সমস্যা ডাক প্লেগ রোগ। হাঁসের রোগ-বালাই দেখা দিলে তিনি স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের পরামর্শ  নেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *