শেরপুরে বেকার যুবক ও যুব নারীদের কর্মসংস্থানে ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ

এপ্রিল ২৩, ২০১৭

আপনি দেখছেন: দেশের খবর >> উন্নয়ন, বিজ্ঞান, শেরপুর, স্থানীয় শীর্ষ >> শেরপুরে বেকার যুবক ও যুব নারীদের কর্মসংস্থানে ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ

হাকিম বাবুল, শেরপুর: ‘আত্মকর্মী যুবশক্তি, টেকসই উন্নয়নের মূলভিত্তি’ এ শ্লোগানে শেরপুরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর শিক্ষিত বেকার যুবক ও যুব নারীদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছে। এছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট বিষয়ে দক্ষ করতে কম্পিউটার হার্ডওয়ার ও ট্রাবলশ্যুটিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।

শেরপুরে বেকার যুবক ও যুব নারীদের কর্মসংস্থানে ফ্রি-ল্যান্সিং/আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী।

শনিবার বিকেলে বেকার যুবক ও যুব নারীদের এক মাসব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী কম্পিউটার হার্ডওয়ার ও ট্রাবলশ্যুটিং প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। ভাতশালা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন।

জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুন অর-রশীদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলা, সাংবাদিক দেবাশীষ ভট্টাচার্য, সঞ্জীব চন্দ বিল্টু প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, বেকার যুবক ও যুব নারীরা স্বাবলম্বী হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের পথ থেকে যুবসমাজকে এ প্রশিক্ষণ দূরে রাখবে। তাছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে এ ধরনের প্রশিক্ষণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে। শিক্ষকরা ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করতে পারবে, মাল্টিমিডিয়া মিডিয়া ক্লাশ নেওয়া সহজ হবে এবং শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবে।

জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুন অর-রশীদ জানান, প্রশিক্ষণে বেকার যুবক ও যুব নারীদের অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয়, আউটসোর্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েবপেজ ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এর ফলে ঘরে বসে তারা উপার্জন করতে পারবেন। যার ফলে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব হবে। ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিংয়ে নারীসহ ২০ জন এবং কম্পিউটার হার্ডওয়ার ও ট্রাবলশ্যুটিং প্রশিক্ষণে ৩০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *