শেরপুরে ১১৪ জন জিপিএ-৫ পেয়ে শীর্ষে ভিক্টোরিয়া একাডেমি, প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্স

মে ৪, ২০১৭

আপনি দেখছেন: দেশের খবর >> জাতীয়, প্রধান খবর, শিক্ষা-সংস্কৃতি, শেরপুর >> শেরপুরে ১১৪ জন জিপিএ-৫ পেয়ে শীর্ষে ভিক্টোরিয়া একাডেমি, প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্স

হাকিম বাবুল, শেরপুর: শেরপুরে সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমি থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় ১১৪ জন জিপিএ-৫ পেয়ে জেলায় শীর্ষে অবস্থান করছে। তবে এবারও এ স্কুল থেকে তিন পরীক্ষার্থী ফেল করেছে। এ স্কুল থেকে ২২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২৫ জন পাস করেছে। পাসের শতকরা হার ৯৮ দশমিক ৬৮। এছাড়া শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২০ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭১ জন। পাশের হার শতকরা ৯৯ দশমিক ০৯। এছাড়া আফছর আলী আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯০ দশমিক ৯০। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬জন।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন শেরপুরের শিক্ষকসহ ৫ শিক্ষার্থী।

এদিকে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন শেরপুরের ২ শিক্ষকসহ ৫ শিক্ষার্থী। সকাল ১০টায় পরীক্ষার ফলাফল গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন শেরপুর ও সাতক্ষীরা জেলার সাথে।

সেসময় প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে শেরপুর থেকে প্রথমেই কথা বলেন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাইমাতুন জান্নাত তুষ্টি। এরপর পর্যায়ক্রমে কথা হয় সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমির আতিক মোর্শেদ, বাবেলাকোনা আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণা জেংছাম, ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসার আব্দুল ওয়াদুদ ও সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের হুমাইরা জাহান সৃষ্টি। তাদের আবেগ-উচ্ছ্বসিত কথায় প্রধানমন্ত্রীও বিমোহিত হয়ে পড়েন।

এরপর কথা বলেন শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জীবন কৃষ্ণ বসু ও ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ফজলুর রহমান।

শুরুতেই সূচনা বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন। সবার বক্তব্যেই উঠে আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন ও শিক্ষাবান্ধব নীতির কথা। সেইসাথে উঠে আসে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদকবিরোধী গণসচেতনতায় ঐক্যবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয়সহ দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সংকল্প। শিক্ষার্থী তুষ্টি তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে জানায়, সে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চায়। শিক্ষার্থী আতিক মোর্শেদ জনবান্ধব প্রশাসক, সুবর্ণা জেংছাম ও আব্দুল ওয়াদুদ হতে চায় মানুষ গড়ার কারিগর।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *