চলতি মাসেই রাকিব হত্যা মামলার চার্জশিট

প্রতিনিধি, খুলনা: নির্যাতনে নিহত খুলনার শিশুশ্রমিক রাকিব হত্যা মামলার চার্জশিট আগস্ট মাসের শেষের দিকে দাখিল করা হবে। আলোচিত এ  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মোস্তাক আহমেদ এ কথা জানান।

তিনি আরো জানান, এজাহারভুক্ত তিন আসামি শরীফ, মিন্টু মিয়া ও শরীফের মা বিউটি বেগম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী তিনজন সাক্ষীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। ফলে মামলা তদন্তের কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এখন চার্জশিট দিতে তেমন কোনো বাধা থাকছে না। তদন্ত কর্মকর্তা আগস্ট মাসের শেষের দিকের যে কোনো দিন চার্জশিট দাখিল করতে পারবেন বলে আশা করেন।

গত ৩ আগস্ট বিকেলে মোটরসাইকেলের হাওয়া দেওয়া কমপ্রেসার মেশিনের পাইপ পায়ুপথে ঢুকিয়ে পেটে হাওয়া দিয়ে নির্মমভাবে রাকিবকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোডের মোটরসাইকেল গ্যারেজ শরীফ মোটর্সের মালিক শরীফ, তার মা বিউটি বেগম ও সহযোগী মিন্টু মিয়াকে ক্ষুব্ধ জনতা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। আসামিরা সবাই ১৬৪ ধারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে তারা খুলনা কারাগারে রয়েছেন।

শিশু ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি মহানগর বিএনপির

খুলনার একটি স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর (১২) ধর্ষক রেজার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি। এক বিবৃতিতে এ দাবি করে বিএনপি। গত শুক্রবার রূপসা ঘাট সংলগ্ন একটি হোটেলের মালিক রেজা ফুসলিয়ে শিশুটিকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে। মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ধর্ষক রেজা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা খেলাফত-রমজানের ভাগ্নে হওয়ায় নির্যাতিত শিশুর পরিবার ন্যায় বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলে বিবৃতিতে আশঙ্কা করা হয়। পরিবারটি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে বলেও দাবি করেন বিএনপি নেতারা।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেসিসি মেয়র ও নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলীসহ অন্যান্য নেতারা এ বিবৃতি দেন।

বর্ধিত ট্রেড লাইসেন্স ফি বাতিলের জন্য সরকারের সাথে আলোচনার দাবি

খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ আরেকটি যৌথ বিবৃতিতে দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকার জন্য শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সাথে কোনো ধরনের সরকারের কোনো আলোচনা না করে হঠাৎ করে ট্রেড লাইসেন্স ফি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করায় ক্ষোভ প্রকাশ ও প্রতিবাদ করেছেন। অবিলম্বে বর্ধিত লাইসেন্স ফি বৃদ্ধির আদেশ প্রত্যাহার করে ব্যবসায়ী সংগঠনের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ খুলনার কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের আন্দোলনে ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ না করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন ও মেয়রকে দোষারোপ করে দেয়া বক্তৃতা-বিবৃতিতে বিষোদাগার ও কখনো কখনো টেনেহিঁচড়ে নামানোর ঘোষণাকে নিন্দনীয়, চরিত্রহননের অপচেষ্টা ও ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ব্যর্থ চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেন। তারা সরকারের সাথে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান।

বিৃবতিদাতারা হলেন,বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেসিসি মেয়র ও নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী প্রমুখ।