ভারতের বিহারে গঙ্গার পানি বাড়ায় ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এ অনুরোধ জানান তিনি। তার দাবি, সব গেট খুললে গঙ্গার পানির প্রবাহ বাড়বে এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা হবে।
এদিকে ফারাক্কা ও গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ চুক্তির বিষয়টি সামনে এসেছে। জেডিইউয়ের রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় ঝা বলেছেন, চুক্তি নবায়নের সময় বিহারের স্বার্থ বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশে লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার কয়েকটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ বাঁধে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নদীর পানি ঢুকে ঘরবাড়ি, রাস্তা ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, দেড় মাসের ব্যবধানে একই বাঁধে আবার ভাঙন দেখা দিয়েছে।
