বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশের জন্য দায়ী এসব রোগের অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ। প্রতি চারজনের একজন এ রোগে আক্রান্ত হলেও নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে মাত্র প্রতি সাতজনের একজন।
সাংবাদিকরা বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের ঘাটতি এ সংকট আরও বাড়াচ্ছে। টেকসই অর্থায়ন ছাড়া তৃণমূলে ওষুধের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ সম্ভব নয়।
আজ (১০ সেপ্টেম্বর) অনলাইনে আয়োজিত “বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: অগ্রগতি, বাধা এবং করণীয়” শীর্ষক এক সাংবাদিক কর্মশালায় বক্তারা এসব তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) কর্মশালার আয়োজন করে। এতে রাজশাহী বিভাগের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার ২২ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, সম্প্রতি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে সরকারের ৩৫টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ একটি যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বিনামূল্যে প্রদানের সুপারিশ করেছে।
বক্তারা জানান, স্বাস্থ্য বাজেটে অসংক্রামক রোগ খাতে বরাদ্দ এখনো মাত্র ৪.২ শতাংশ, যা পর্যাপ্ত নয়। ধারাবাহিক অর্থায়ন নিশ্চিত না হলে তৃণমূলে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রাপ্যতা বাড়ানো সম্ভব নয়।
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা করেন প্রজ্ঞার পরিচালক মো. শাহেদুল আলম এবং কোঅর্ডিনেটর সাদিয়া গালিবা প্রভা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
