ঢাকা, ৩ নভেম্বর ২০২৬: ভারতের এহমেদাবাদে ২০২৬ সালের প্রথম কমনওয়েলথ কাবাডি
চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জপদকজয়ী বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি
শহরের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এশিয়ান ক্যাটারিং ফেডারেশনের
চেয়ারম্যান এবং এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ডসের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইয়াওয়ার খান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের কর্মকর্তা, জাতীয় পুরুষ ও নারী দলের খেলোয়াড়,
কোচিং স্টাফ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে উঠে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ। শেষ
পর্যন্ত ব্রোঞ্জপদক নিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করে দলটি। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, শৃঙ্খলা ও দলীয়
প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ইয়াওয়ার খান বলেন, বাংলাদেশের এই অর্জন শুধু একটি পদক জয় নয়, বরং খেলোয়াড়দের দৃঢ়
সংকল্প, শৃঙ্খলা ও দলীয় ঐক্যের প্রতিফলন। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে
খেলোয়াড়েরা বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তাঁদের এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইংল্যান্ড কাবাডি দলের অধিনায়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনিসা খান। তিনি
বাংলাদেশের দলকে অভিনন্দন জানান এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাবাডির উন্নয়নে বিভিন্ন দেশের
মধ্যে সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
আনিসা খান বলেন, ইংল্যান্ডে কাবাডি এখনো তুলনামূলক নতুন খেলা। খেলাটির উন্নয়নে বাংলাদেশের মতো
যেসব দেশে কাবাডির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ
গুরুত্বপূর্ণ। জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাবাডির প্রসার ঘটানো সম্ভব।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের টিম ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন সংবর্ধনা আয়োজনের জন্য ইয়াওয়ার
খান ও এশিয়ান ক্যাটারিং ফেডারেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, চ্যাম্পিয়নশিপে
খেলোয়াড়দের নিষ্ঠা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল এই ব্রোঞ্জপদক। এ ধরনের স্বীকৃতি খেলোয়াড় ও
কর্মকর্তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মো. জাহিদ ইকবাল আলমাসও দলের অর্জনকে স্বীকৃতি
দেওয়ার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান
আরও সুদৃঢ় করতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী কাবাডি দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ফেডারেশনের কর্মকর্তা ও
কোচিং স্টাফদেরও সম্মাননা জানানো হয়।
