রেজাউল করিম বকুল, শেরপুুর: শেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলুল হকের ‘রূঢ়’ আচরণের প্রতিবাদে ওই অফিসের কর্মীরা অসুস্থাজনিত ছুটিতে চলে যাওয়ায় কার্যালয়টি কর্মী শূন্য হয়ে পড়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে পাঁচ দিন ধরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ওই অবস্থা বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে মো. ফজলুল হক প্রায় নয় মাস পূর্বে শেরপুরে যোগদানের পর থেকেই বিনা অনুমতিতে অফিস ভবনের দোতলার কক্ষে বসবাস করে আসছিলেন। এছাড়া তিনি অফিসের স্টাফদের সাথে কথায় কথায় প্রতিনিয়ত অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছিলেন। ওই আচরণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ব্যতিক্রম প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বুধবার উচ্চমান সহকারী রঞ্জিত কুমার চক্রবর্তী, কম্পিউটার অপারেটর আকরাম হোসাইন ও অফিস সহকারী এহসানুল আলম ১৫ দিনের মেডিকেল ছুটির আবেদন পাঠিয়ে দেন অফিসে। সহকারী কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল্লাহ ছুটিতে থাকায় এখন কেবলই অফিসে অবস্থান করছেন ফজলুল হক ও তার অফিস পিয়ন।
এ ব্যাপারে রবিবার বিকেল ৪টায় ফজলুল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। পরে জানা যায়, দুপুরের পর থেকেই তিনি অফিস কক্ষ ত্যাগ করে একই ভবনের দোতলায় অবস্থান করছেন।
